ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ২৪ জুলাই ২০১৯ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): মঙ্গলবার নিলামে ওঠা নাইকের ‘চাঁদের জুতো’ ভেঙে দিয়েছে ইতিপূর্বের সব রেকর্ড। ১৯৭১ সালে ব্যবহৃত নাইকের ওই স্নিকার্স বিক্রি হল হয়েছে ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ ডলারে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ তিন কোটি ৭০ লাখেরও বেশি। এটি একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।
নিলামকারী সংস্থা সোথবি এক বিবৃতিতে জানায়, এর আগে ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক বাস্কেটবল ফাইনালে ব্যবহৃত মাইকেল জর্ডানের স্বাক্ষর করা জুতো জোড়া ২০১৭ সালে বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ৯০ হাজার ৩৭৩ ডলারে। কিন্তু নাইকের এই জুতো জোড়া ভেঙে দিয়েছে সেই রেকর্ড। এই জুতো জোড়ার দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে অনুমান করা হলেও এটি সেই প্রাক-বিক্রয় মূল্যের সমস্ত হিসেবনিকেশ ভেঙে দিয়ে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়।
কানাডিয়ান সংগ্রাহক মাইলস নাদাল অনলাইন নিলামের মাধ্যমে দরকষাকষি করে ওই দামে কিনেছেন নাইকের জুতো জোড়া। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহেই গোপনে বিক্রি হওয়া একটি ব্যক্তিগত নিলামে আরও ৯৯ জোড়া জুতো কিনেছেন তিনি।
মাইলস নাদাল বলেন, ‘আমি অত্যন্ত রোমাঞ্চ অনুভব করছি নাইকের এই চাঁদের জুতো কিনতে পেরে, নাইকের তৈরি বিরলতম জুতোগুলোর মধ্যে অন্যতম এই জুতো জোড়া। পাশাপাশি এর উপর ক্রীড়া ইতিহাসের বেশ কিছু কলা কৌশলও আছে, আর সবচেয়ে বড় কথা এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পপ সংস্কৃতি।’
নাইকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল বোয়ারম্যান ১৯৭২ সালের অলিম্পিক ট্রায়ালের রানার্সদেরর জন্য ফ্ল্যাট রেস এই ‘চাঁদের জুতো’ ডিজাইন করেছিলেন। নিলামকারী সংস্থাটি জানায়, সেইসময় তৈরি প্রায় ১২ জোড়া জুতোর মধ্যে মঙ্গলবারের জুতোটি একমাত্র হিসাবে অবশিষ্ট ছিল।
সোথবির গ্লোবাল ই-কমার্স প্রধান নোয়া উনসছ বলেন, ‘আমরা আগের বিশ্ব নিলাম রেকর্ডের তুলনায় আজ প্রায় দ্বিগুণ দামে এই আইকনিক চাঁদের জুতোকে বিক্রি করতে পেরে অত্যন্ত উত্তেজিত বোধ করছি।’
৬১ বছর বয়সী নাদাল বুধবার ৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করেছেন ওই ঐতিহাসিক জুতো জোড়াসহ ৯৯টি নিলামকৃত জিনিস কেনার জন্যে। টরোন্টোতে নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় ওই ‘চাঁদের জুতো’ প্রদর্শন করে রাখবেন তিনি।
Leave a Reply